প্রকাশিত: ১৮ মার্চ ২০২৬, ১২:৪৫ পিএম
পরিবার-পরিজনের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে রাজধানী ছাড়ছেন ঘরমুখো মানুষ। ভোর থেকেই ঢাকার বিভিন্ন স্টেশন ও টার্মিনালে যাত্রীদের ভিড় দেখা গেছে। মহাসড়কে যানবাহনের চাপ থাকলেও অনেকেই তুলনামূলক স্বস্তিতে গন্তব্যের পথে রওনা হয়েছেন। তবে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র—অতিরিক্ত যাত্রীচাপে হিমশিম খাচ্ছেন অনেকে।
বুধবার (১৮ মার্চ) সকালে সরেজমিনে কমলাপুর স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, পরিবার-পরিজন, শিশু ও মালপত্র নিয়ে যাত্রীরা ভোর থেকেই প্ল্যাটফর্মে ভিড় জমিয়েছেন। সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে সেই ভিড় আরও বাড়তে থাকে। কেউ বসে অপেক্ষা করছেন, কেউ আবার দীর্ঘ সময় ধরে দাঁড়িয়ে আছেন ট্রেনের আশায়।
নির্ধারিত সময়েই স্টেশন ছেড়ে গেছে রাজশাহীগামী ধূমকেতু এক্সপ্রেস, সিলেটগামী পারাবত এক্সপ্রেস, চিলাহাটিগামী নীলসাগর এক্সপ্রেস, চট্টগ্রামগামী সোনার বাংলা এক্সপ্রেস, কিশোরগঞ্জগামী এগারোসিন্দুর প্রভাতী এবং নারায়ণগঞ্জ কমিউটার ট্রেন।
তবে ট্রেনের ভেতরে পর্যাপ্ত জায়গা না থাকায় অনেক যাত্রী ছাদে উঠে ঝুঁকি নিয়ে ভ্রমণ করছেন, যা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করেছে।
রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বাড়তি যাত্রীচাপ সামাল দিতে স্টেশনজুড়ে জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা। দায়িত্বে রয়েছে র্যাব, পুলিশ, আনসার, গোয়েন্দা সংস্থা এবং রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা। প্রবেশপথ ও প্ল্যাটফর্মে তল্লাশি ও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
রাজশাহীগামী যাত্রী বেসরকারি চাকরিজীবী আহমেদ আরিফ বলেন, সড়কপথে অতিরিক্ত ভিড় ও বেশি ভাড়ার কারণে ট্রেন বেছে নিয়েছেন। তবে পরিবারের সবাই ট্রেনে উঠলেও তিনি জায়গা না পেয়ে ছাদে উঠতে বাধ্য হয়েছেন।
রেলওয়ে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। যাত্রীদের নির্ধারিত টিকিট ব্যবহার ও শৃঙ্খলা বজায় রেখে ভ্রমণের আহ্বান জানানো হয়েছে।
