বুধবার ০৪, ফেব্রুয়ারি ২০২৬

বুধবার ০৪, ফেব্রুয়ারি ২০২৬ -- : -- --

নির্বাচনের দায়িত্বরত কেউ গণভোটের পক্ষে-বিপক্ষে যাবেন না: নির্বাচন কমিশনার

যাপ্র নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৭ জানুয়ারি ২০২৬, ১০:২৩ পিএম

ছবি: সংগৃহীত

নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেছেন, গণভোট উপলক্ষে নির্বাচন কমিশন ভোটারদের উদ্বুদ্ধ করবে; তবে নির্বাচনী দায়িত্বে থাকা কোনো কর্মকর্তা পক্ষে বা বিপক্ষে অবস্থান নেবেন না। আইন অনুযায়ী রিটার্নিং কর্মকর্তা, সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট সব নির্বাচনী কর্মকর্তা নিরপেক্ষ থাকবেন।

মঙ্গলবার দুপুরে নির্বাচন ভবনে নিজ দপ্তরে ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। একই দিনে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন বিষয়ে গণভোটও হবে। এ গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে সরকার ও বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রচার নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

এ প্রসঙ্গে ইসির অবস্থান জানতে চাইলে আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, গণভোটের বিষয়ে কমিশন ভোটারদের অংশগ্রহণে উৎসাহ দেবে। তবে নির্বাচনী দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা কোনো পক্ষের হয়ে প্রচার চালাবেন না। তাঁরা কেবল দায়িত্ব পালন করবেন।

সরকারের প্রচার কার্যক্রম নিয়ে মন্তব্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, সরকার যে অবস্থান নিয়েছে সে বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার হিসেবে তিনি মন্তব্য করতে চান না। আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কোনো কর্মকর্তা রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি আর কোনো পক্ষের নন। কেউ পক্ষে বা বিপক্ষে প্রচার চালাচ্ছেন না।

নির্বাচনের সার্বিক পরিবেশ সম্পর্কে তিনি বলেন, গণমাধ্যমের প্রতিবেদন ও মাঠপর্যায়ের পর্যবেক্ষণে দেখা যাচ্ছে—অতীতের অনেক নির্বাচনের তুলনায় এবারের নির্বাচনী পরিবেশ অত্যন্ত ভালো।

শঙ্কার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন কোনো শঙ্কা প্রকাশ করছে না। রাজনৈতিক দলগুলোর নেতারা নিয়মিত ইসির সঙ্গে বৈঠক করছেন এবং তাঁদের পর্যবেক্ষণ জানাচ্ছেন। সে অনুযায়ী কমিশন তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিচ্ছে।

জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্থাপিত অভিযোগগুলো মনোযোগ দিয়ে শোনা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, সেগুলোর সমাধানে ইতিমধ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

দলগুলোর পাল্টাপাল্টি বক্তব্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নির্বাচন মানেই রাজনৈতিক এজেন্ডা। দলগুলো তাদের ইশতেহার ও অবস্থান তুলে ধরবে, একে অপরের পজিটিভ-নেগেটিভ দিক নিয়ে কথা বলবে, কখনো আক্রমণাত্মক বক্তব্যও আসবে। এসবের মধ্য থেকে জনগণ বিচার-বিশ্লেষণ করে সিদ্ধান্ত নেবে কাকে ভোট দেবে।

Link copied!
Development by বিডি আইটি এজেন্সি